Logo
Logo
×

সারাদেশ

অবশেষে বাবার কোলে ফিরল শিশু মেহেদি

Icon

কক্সবাজার প্রতিনিধি

প্রকাশ: ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৪:০৭ পিএম

অবশেষে বাবার কোলে ফিরল শিশু মেহেদি

২০২৫ সালের ৩০ জানুয়ারি রাজধানি ঢাকার গেন্ডারিয়ার এলাকার নিজ বাড়ি থেকে বের হয়েছিল ৭ বছরের শিশু মেহেদি। তারপর পথ হারিয়ে কমলাপুর রেল স্টেশনে যায়। ওখানে উঠে বসে কক্সবাজারগামী একটি ট্রেনে। কক্সবাজার পৌঁছে মিশে যায় ভ্রাম্যমাণ শিশুদের দলে। 

ঘটনা পরিক্রমায় সেসব শিশুদের সঙ্গে পৌঁছে যায় কক্সবাজারের সীমান্ত উপজেলা টেকনাফে। যেখানে এক পর্যায়ে কান্না করা শিশুটিকে দেখে স্থানীয়দের সহযোগিতায় টেকনাফ থানার পুলিশ উদ্ধার করে।

পুলিশের উদ্ধারের পর নিজে নাম মেহেদি বলতে পারলেও নিজের বাড়ির ঠিকানা, কারও ফোন নম্বর দিতে পারেনি। ফলে পুলিশ বাধ্য হয়ে শিশু মেহেদিকে সমাজসেবা অধিদপ্তরের মাধ্যমে পাঠিয়ে দেয় কক্সবাজারের ‘সমন্বিত শিশু পুনর্বান কেন্দ্রে’।

দীর্ঘ এক বছরের বেশি সময় অতিবাহিত হওয়ার পর নানা প্রক্রিয়ার মাধ্যমে শিশুর বাবা তাইজুদ্দিন ও চাচা সাইফুল হক গত ২৩ ফেব্রুয়ারি এসেছিলেন কক্সবাজারের ‘সমন্বিত শিশু পুনর্বান কেন্দ্রে’। শিশুটি আনুষ্ঠানিকভাবে স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করেছে কর্তৃপক্ষ।

সমন্বিত শিশু পুনর্বান কেন্দ্রের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা, শিশুর বাবার সঙ্গে আলাপ করে মিলেছে এসব তথ্য।

সমন্বিত শিশু পুনর্বান কেন্দ্রের প্যারা কাউন্সিলর সাবিনা ইয়াসমিন বলেন, শিশুটিতে টেকনাফ থেকে কেন্দ্রে আনার পরই পুনর্বান কেন্দ্রই হয়ে উঠে তার পরিবার। এ প্রতিষ্ঠানে লেখাপড়া থেকে শুরু করে জীবন গড়তে সব ব্যবস্থা থাকলেও পরিবারের জন্য ব্যাকুল ছিল মেহেদি।

তিনি আরও বলেন, গত ১৬ ফেব্রুয়ারি সমন্বিত শিশু পুনবাসন কেন্দ্র, জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের সহযোগিতায় শিশু সুরক্ষা সমাজকর্মীর মাধ্যমে শিশু সহায়তার নম্বর ১০৯৮ এ ফোন করে ছবি-ভিডিও আদান প্রদানের মাধ্যমে মেহেদির পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করতে সক্ষম হয়। যোগাযোগের মাধ্যমে মেহেদির বাবা ও চাচা ২৩ ফেব্রুয়ারি শিশু পুনবাসন কেন্দ্রে আসেন। সন্তানকে ফিরে পেয়ে খুবই খুশি মেহেদির বাবা ও চাচা।

মেহেদির বাবা তাইজুদ্দীন বলেন, গত এক বছর ধরে ছেলেকে নানাভাবে সন্ধান করেও পাননি। আশা ছেড়ে দিলেও ছেলে পাওয়ার একটা আকুতি ছিল। পরে সহায়তার নম্বর ১০৯৮ এর মাধ্যমে ছেলেকে পেয়ে খুশি আমরা।

Swapno

Abu Al Moursalin Babla

Editor & Publisher

Major(Rtd)Humayan Kabir Ripon

Managing Editor

Email: [email protected]

অনুসরণ করুন