চট্টগ্রাম বন্দরে ধর্মঘটের রেশ কাটাতে তিন সপ্তাহ লাগতে পারে
চট্টগ্রাম প্রতিনিধি
প্রকাশ: ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০১:৪৯ পিএম
কয়েক দিনের শ্রমিক ধর্মঘটের রেশ ও ৪৮ ঘণ্টার নির্বাচনী ছুটির প্রভাবে চট্টগ্রাম বন্দরে জাহাজ ও কনটেইনারের জট বেড়েছে। বন্দরের বহির্নোঙরে বর্তমানে ৩৮টি জাহাজ অপেক্ষায় রয়েছে, আর টার্মিনালে ৪০ হাজারের বেশি কনটেইনার জমে আছে। স্বাভাবিক সময়ে বন্দরে সাধারণত ৩০ থেকে ৩২ হাজার কনটেইনার থাকে।
সিলেট শাহজালাল ফার্টিলাইজার কোম্পানির মাদার ভেসেল ‘ফেনজ হাই-৬৬’ যোগে ডেনমার্ক থেকে পাঁচ কনটেইনার কাঁচামাল আমদানি করতে সাত দিন অপেক্ষা করতে হয়। এ ধরনের বিলম্বে শত শত কোম্পানির পণ্য বহনকারী জাহাজ সাগরে ভেসে থাকে।
চট্টগ্রাম বন্দরের পরিচালক (প্রশাসন) মো. ওমর ফারুক জানান, বন্দরে জট কিছুটা কমছে। নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের কড়াকড়ি অবস্থান, টানা অভিযান এবং লাইটার জাহাজ ব্যবস্থাপনায় নতুন ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম চালু করার ফলে বহির্নোঙরে শৃঙ্খলা ফিরছে। এখন মাদার ভেসেলগুলোতে লাইটার বরাদ্দ প্রতিদিন দেওয়া হচ্ছে।
বাংলাদেশ শিপ হ্যান্ডলিং অ্যান্ড বার্থ অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি সরওয়ার হোসেন সাগর বলেন, লাইটার সংকট কমেছে, কিন্তু কনটেইনার সেক্টরে চাপ এখনও আছে। ডিজিটাল সিরিয়াল ও স্বচ্ছ বরাদ্দ ব্যবস্থা চালুর পর জাহাজের টার্নঅ্যারাউন্ড বেড়েছে। তবে মাসের প্রথম সপ্তাহের ধর্মঘট ও ছুটির কারণে জমে থাকা ৪০ হাজারের বেশি কনটেইনার সরাতে অন্তত তিন সপ্তাহ সময় লাগতে পারে।
নৌপরিবহন অধিদপ্তর ও বাংলাদেশ ওয়াটার ট্রান্সপোর্ট কো-অর্ডিনেশন সেল সফটওয়্যারের মাধ্যমে লাইটার জাহাজের বরাদ্দ, কমপ্লায়েন্স ও মনিটরিং ডিজিটাল করেছে। এতে ভাসমান গুদাম রোধ করা সম্ভব হয়েছে এবং বাল্ক কার্গোর খালাসে কিছুটা গতি ফিরেছে।



