জামায়াত ক্ষমতায় এলে পাকিস্তানি মিলিটারি এসে বসে থাকবে কিশোরগঞ্জে : ফজলুর রহমান
কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি
প্রকাশ: ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১০:২৮ পিএম
জামায়াতে ইসলামীর তীব্র সমালোচনা করে কিশোরগঞ্জ-৪ (ইটনা-মিঠামইন-অষ্টগ্রাম) আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ও বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমান বলেছেন, জামায়াত ক্ষমতায় আসলে ইটনা-মিঠামইন-অষ্টগ্রামে পাকিস্তানি মিলিটারিরা এসে বসে থাকবে। ইটনাতে পাঁচজন, মিঠামইনে দশজন, অষ্টগ্রামে পাঁচজন। এই ২০ জন মিলিটারি আর জামায়াতের রাজাকার-আলবদররা মিলে এই দেশটাকে আবার পরাধীন করবে। তখন আপনারা রাস্তা দিয়ে হাঁটতে পারবেন না। তারা লাথি মেরে বলবে, বাঙালকা বাচ্চা, তুই কাবি নেহি আচ্ছা। এরা মানুষের বাচ্চা না।
মঙ্গলবার (০৩ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে মিঠামইনের ঢাকী ইউনিয়ন বিএনপি আয়োজিত এক নির্বাচনি জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
ফজলুর রহমান বলেন, জামায়াত যদি কোনও কারণে দেশে ক্ষমতায় আসে, তবে এই দেশটা পাকিস্তান হবে। তারা আবার ১৯৭১ সালের মতো পরিস্থিতি তৈরি করবে, দেশটাকে পরাধীন বানাবে। আল্লাহর দোহাই লাগে, আমারে ভোট দিয়েন না- আমি আপনাদেরকে না করি। কিন্তু এদেরকে ভোট দিয়ে দেশটাকে পাকিস্তান বানায়া আমার মা-বোনের ইজ্জত নষ্ট কইরেন না। এদের চেয়ে খারাপ এই পৃথিবীতে কেউ জন্মগ্রহণ করে নাই।
জামায়াতের রাজনৈতিক শিষ্টাচার নিয়ে প্রশ্ন তুলে তিনি আরও বলেন, তাদের জন্য ডিকশনারিতে তিনটি শব্দ এসেছে- বেতমিজ, বেয়াদব এবং বেইমান। ডাকসুর ভিপি তারেক রহমান সম্পর্কে কুরুচিপূর্ণ কথা বলে। ও তো তারেক রহমানের সন্তানের সমান। এদের সঙ্গে ইলেকশন করতে হচ্ছে আমাকে। কী ইলেকশন হবে! ভোট যদি হয়, ১০ শতাংশ ভোট পাইবো কিনা সন্দেহ। কয় শতাংশ ভোট পাইবো, কে তাদের কর্মী, কে দিবে তাদের ভোট?
ফজলুর রহমান বলেন, প্রথমে কতগুলো ভদ্র মহিলারে ছাড়ছে বোরকা পড়িয়ে। কানের মধ্যে দুল, গলার মধ্যে চেইন, হাতে কিছু বিস্কুট, কিছু চকলেট বাচ্চাদের দিছে। আর মায়েদের গিয়ে বলছে- ভোট যদি দেন, তাহলে বেহেশতের একটা টিকিট পাইবেন। পরে যখন সবাই কইছে, কিরে ব্যাটা, বেহেশতের টিকিট তুই দেয়ার কে রে? বেহেশতের টিকিট দেয়ার মালিক হলো আল্লাহ।
সভায় ফজলুর রহমান ভোটারদের উদ্দেশ্যে আহ্বান জানিয়ে বলেন, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার স্বার্থে বিভ্রান্ত না হয়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে হবে।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, ফজলুর রহমানের স্ত্রী ও কিশোরগঞ্জ জেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি উম্মে কুলসুম রেখাসহ বিএনপির স্থানীয় নেতা-কর্মীরা।



