কুতুবদিয়া নৌরুটে সি-ট্রাক চালু, উচ্ছ্বাসিত দ্বীপবাসি
কক্সবাজার প্রতিনিধি :
প্রকাশ: ২৫ জানুয়ারি ২০২৬, ০৫:২৬ পিএম
ছবি : সংগৃহীত
অবশেষে সি ট্রাক চালুর মধ্যদিয়ে দ্বীপ উপজেলা কুতুবদিয়ায় সূচিত হলো আধুনিক যোগাযোগ ব্যবস্থার। এতে দ্বীপবাসির যোগাযোগের পাশাপাশি পর্যটনসহ অর্থনৈতিক বিকাশে গতি সঞ্চার হবে এমনটাই আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন নৌপরিবহন উপদেষ্টা অবসরপ্রাপ্ত বিগ্রেডিয়ার জেনারেল এম. সাখাওয়াত হোসেন।
রবিবার (২৫ জানুয়ারি) দুপুরে আনুষ্ঠানিকভাবে তিনি সি-ট্রাক চলাচল উদ্বোধন করেন।
সংশ্লিষ্টদের তথ্য মতে, বঙ্গোপসাগরের বুক চিরে জেগে উঠা দ্বীপ উপজেলা কুতুবদিয়া। ঘনবসতিপূর্ণ ২১৬ বর্গকিলোমিটার আয়তনের এ দ্বীপটিতে বসবাস প্রায় ২ লাখের কাছাকাছি। অনাদিকাল থেকে এ দ্বীপে যাতায়াতের একমাত্র মাধ্যম ছিল কাঠের নৌকা, ট্রলার, ড্যানিশ বোট ও স্পীড বোট। কুতুবদিয়ার বড়ঘোপ ও দরবার ঘাটের সাথে যোগাযোগের পথ পেকুয়ার মগনামা ঘাট। দীর্ঘ ৫ কিলোমিটার বঙ্গোপসাগরের কুতুবদিয়া চ্যানেলের উত্তাল সাগরপথ পাড়ি দিয়ে প্রতিদিন যাতায়াত করে দ্বীপের হাজারো বাসিন্দাদের পাশাপাশি সরকারি-বেসরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারি ও পর্যটক। কিন্তু সাগর উত্তাল হলে বেকায়দায় পড়েন তারা। এতে বর্ষা মৌসুমে এ যাত্রাপথ হয়ে উঠে ঝুঁকিপূর্ণ। যার প্রেক্ষিতে দাবি উঠে মগনামা-কুতুবদিয়া নৌরুটে সি-ট্রাক সহ নিরাপদ নৌযান চালুর।
এর প্রেক্ষিতে রবিবার দুপুরে এ রুটে আনুষ্ঠানিক সি-ট্রাক চলাচলের উদ্বোধন করেন নৌপরিবহন উপদেষ্টা এম সাখাওয়াত হোসেন।
সি-ট্রাক উদ্বোধনের পর পেকুয়ার মগনামা ঘাট থেকে কুতুবদিয়া যান নৌ পরিবহন উপদেষ্টা। এসময় শিগগিরই মগনামা ঘাট থেকে কুতুবদিয়াত ফেরি চালুর ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে জানিয়ে ঘাট নিয়ে রাজনীতি না করার হুশিয়ারি দেন নৌ পরিবহন উপদেষ্টা।
দুই'শো যাত্রী ধারণক্ষমতার সি-ট্রাকটি মগনামা ঘাট থেকে প্রতিদিন সকাল ৯টা, দুপুর ২টা, সন্ধ্যা ৭ টায় কুতুবদিয়ার উদ্দেশে ছেড়ে যাবে। অপরদিকে কুতুবদিয়া থেকে পেকুয়ার মগনামা ঘাটের উদ্দেশ্যে ছাড়বে প্রতিদিন সকাল সাড়ে ৭টা, বেলা ১২টা এবং বিকেল ৫টায়। আর বিআইডব্লিউটিএ প্রাথমিকভাবে জনপ্রতি ভাড়া নির্ধারণ করেছে ৩০ টাকা।



