রূপগঞ্জে জামায়াতের অফিস বন্ধের হুমকি বিএনপি নেতা হেলালের আল্টিমেটাম
রুপগঞ্জ (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধি :
প্রকাশ: ২৫ জানুয়ারি ২০২৬, ০৫:২৩ পিএম
ছবি : যুগেরচিন্তা
নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলার দাউদপুর ইউনিয়নে হাংকুর এলাকায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কার্যালয় বন্ধ করে দেওয়ার প্রকাশ্যে হুমকি এবং বাধার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় বিএনপি সভাপতির বিরুদ্ধে। দাউদপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট হেলাল উদ্দিন জামায়াতের কার্যক্রম বন্ধের নির্দেশ দিয়েছেন বলে দাবি করেছেন জামায়াত ইসলামী কর্মীরা। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে হাংকুর এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে।
স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শী ও দলীয় কর্মীদের সূত্রে জানা গেছে, দাউদপুর ইউনিয়নের একটি টিনশেড ঘরে জামায়াতে ইসলামী তাদের সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য একটি অস্থায়ী অফিস স্থাপন করে। সেখানে নারায়ণগঞ্জ-১ রূপগঞ্জ আসনের সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী মোঃ আনোয়ার হোসেন মোল্লা-র ছবি সংবলিত ব্যানার টাঙানো হয়। রবিবার(২৫ জানুয়ারী) সকালে জামায়াত কর্মীরা অফিসে যাওয়ার পর দেখতে পান, কার্যালয়ের মূল প্রবেশপথ অবরোধ করে ট্রাকভর্তি মোটা বালু ও ইটের স্তূপ ফেলে রাখা হয়েছে। এতে কার্যালয়ে ঢোকা বা কোনো প্রচার চালানো প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ে। অভিযোগ উঠেছে, গত রাতে স্থানীয় বিএনপির একদল নেতাকর্মী এই কাজ করেছেন যাতে জামায়াত ওই এলাকায় কোনো রাজনৈতিক তৎপরতা চালাতে না পারে।
জামায়াত কর্মীদের অভিযোগ,অ্যাডভোকেট হেলাল উদ্দিনের সরাসরি নির্দেশে এই প্রতিবন্ধকতা তৈরি করা হয়েছে। তিনি এলাকায় জামায়াতের কোনো অফিস থাকতে দেওয়া হবে না বলে(২৪ জানুয়ারী) রাতে প্রকাশ্যে হুমকি দিয়েছেন এবং নেতাকর্মীদের ওই এলাকা ছেড়ে চলে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।
অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে অ্যাডভোকেট হেলাল স্থানীয় জামায়াত নেতাদের দাবি, হেলাল উদ্দিনের নেতৃত্বে বিএনপির একটি দল গত রাতে ঘটনাস্থলে গিয়ে হুমকি দেয়। তারা বলেন, "অ্যাডভোকেট হেলাল সাহেব একজন আইনজীবী হয়েও আইনের শাসন না মেনে গায়ের জোরে আমাদের অফিস বন্ধ করতে চাইছেন। তিনি আমাদের কার্যালয়ের সামনে ইট-বালু ফেলে প্রবেশপথ বন্ধ করে দিয়েছেন এবং কর্মীদের মারধরের হুমকি দিচ্ছেন।
দাউদপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি এড হেলাল উদ্দিন বলেন, আমার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ সম্পুর্ণ মিথ্যা। ইট এবং বালু কে রেখে গেছে আমার জানা নেই।
রূপগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি)সবজেল হোসেন বলেন, দাউদপুর ইউনিয়নে হাংকুর এলাকায় জামাতের অফিসের সামনে ইট এবং বালু ফেলার বিষয়ে আমরা অবগত আছি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।



