Logo
Logo
×

সারাদেশ

হোমনায় বেসরকারি হাসপাতালে প্রসূতির চিকিৎসায় অনিয়ম ও হেনস্থার অভিযোগ

Icon

হোমনা (কুমিল্লা) প্রতিনিধি :

প্রকাশ: ০৬ জানুয়ারি ২০২৬, ০৮:২৬ পিএম

হোমনায় বেসরকারি হাসপাতালে প্রসূতির চিকিৎসায় অনিয়ম ও হেনস্থার অভিযোগ

ছবি : সংগৃহীত

কুমিল্লার হোমনা উপজেলায় একটি বেসরকারি হাসপাতালে প্রসূতি রোগীর চিকিৎসায় অনিয়ম, অবহেলা ও রোগীর স্বজনকে হেনস্থার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ভুক্তভোগী রোগীর ভাই আবু ফাহাদ।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ৫ জানুয়ারি সকাল ৭টার দিকে প্রসূতি রোগীকে হোমনা উপজেলার মদিনা জেনারেল ও চক্ষু হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। প্রথমে নরমাল ডেলিভারির চেষ্টা করা হলেও তা ব্যর্থ হয়। পরে সিজারিয়ান অপারেশনের পরামর্শ দিলে রোগীর স্বজনরা সম্মতি দেন। তবে রোগীর অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়া সত্ত্বেও পরবর্তী এক ঘণ্টা হাসপাতালে কোনো সার্জন উপস্থিত ছিলেন না।

অভিযোগে আরও বলা হয়, এ অবস্থায় রোগীকে পাশের একটি বেসরকারি হাসপাতালে নেওয়ার কথা বললে হাসপাতালের মালিক মো. মামুন রোগীর স্বজনের ওপর চড়াও হন এবং রোগী ছাড়তে অনিচ্ছা প্রকাশ করেন। অভিযোগকারীর দাবি, কোনো চিকিৎসা সেবা না দিয়েই জোরপূর্বক ৫০ হাজার টাকা আদায়ের জন্য চাপ দেওয়া হয়।

এ সময় একজন অপেশাদার ব্যক্তিকে ডাক্তার পরিচয়ে অপারেশন থিয়েটারে নেওয়ার চেষ্টা করা হলে সন্দেহ হলে তার পরিচয় জানতে চাওয়া হয়। তবে ওই ব্যক্তি নিজের পরিচয় দিতে ব্যর্থ হন। একপর্যায়ে হাসপাতালের মালিক মো. মামুন অভিযোগকারী আবু ফাহাদের গায়ে হাত তোলেন, অকথ্য ভাষায় গালাগালি করেন এবং তাকে হাসপাতালে আটকে রেখে অর্থ আদায়ের চেষ্টা করেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়। পরে এক আত্মীয়কে জিম্মায় রেখে তিনি হাসপাতাল থেকে বের হতে সক্ষম হন।

এ ঘটনায় প্রশাসনের কাছে সুষ্ঠু বিচার দাবি করেছেন অভিযোগকারী।

এ বিষয়ে মদিনা জেনারেল ও চক্ষু হাসপাতালের মালিক মো. মামুন অভিযোগ অস্বীকার করে সমকালকে বলেন, “রোগী ভর্তি হওয়ার পর নরমাল ডেলিভারির চেষ্টা করা হয়। পরে আমরা তাদের জানিয়েছি আমাদের যে ডাক্তাররা আছেন, তাদের মধ্যে যদি কাউকে পছন্দ হয় তিনি অপারেশন করবেন।ওনারা খোজ নিয়ে জানান এই ডাক্তার ভালোই পরিবর্তীতে আমি রিস্কবন্ডে সই করার কথা বলেছি। আমাদের ডাক্তার অপারেশনে যাওয়ার সময় রোগীর ভাই তাকে ভুয়া ডাক্তার বলে গালাগালি করে। এতে আমার ডাক্তারের মানহানি হয়েছে। এজন্য আমি ক্ষতিপূরণ হিসেবে ৫০ হাজার টাকা দাবি করেছি। পরে তারা মাস্তানি করে রোগী নিয়ে চলে যায়।”

এ বিষয়ে হোমনা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. শহীদুল ইসলাম বলেন, “আমি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে।

Swapno

Abu Al Moursalin Babla

Editor & Publisher

Major(Rtd)Humayan Kabir Ripon

Managing Editor

Email: [email protected]

অনুসরণ করুন