বরুড়ায় ফসলি জমিতে মাটি কাঁটার হিড়িক, নীরব ভূমিকায় প্রশাসন
কুমিল্লা প্রতিনিধি :
প্রকাশ: ০৬ জানুয়ারি ২০২৬, ০৪:০৩ পিএম
ছবি : সংগৃহীত
কুমিল্লার কৃষি নির্ভর উপজেলা বরুড়া। এই উপজেলায় ধান, আলু গম সহ সকল পণ্য উৎপাদন করে বাজারজাত করে কৃষকরা। তবে দিন দিন এই উপজেলাটির অধিকাংশ ফসলি জমি কমে যাচ্ছে মাটি খেকোরদের জন্য এর হিড়িক পড়ে শীত মৌসুমে। এবার শীতের আসতেই শুরু হয় মাটি কাঁটার হিড়িক, বিভিন্ন ফসলি জমির মাটি কেটে নিয়ে যাচ্ছে ইট ভাটায়। একদিকে ফসলি জমি কমে যাচ্ছে অন্যদিকে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে গ্রামীন সড়কগুলো। তবে এসব অবৈধ মাটি কাঁটার বিরুদ্ধে নেই তেমন অভিযান, উপজেলা প্রশাসন নিরব ভূমিকা পালন করছে।
সরেজমিনে দেখা যায় পৌরসভার পুরান কাদবা হাজী বাড়ি সংলগ্ন, ভবানীপুর ইউনিয়নের ফেনুয়া ও ভৈষখলা, লক্ষীপুর ইউনিয়নের বিষ্ণুপুর মাঠসহ প্রায় প্রতিটি ইউনিয়নে চলছে ফসলি জমি কাঁটার মহাউৎসব। এতে ক্ষতির সম্মুখীন স্থানীয় কৃষক ও বাসিন্দারা। অভিযোগ রয়েছে মাটি কাঁটার ট্রাক চলাচল করায় দ্রুত সড়ক ভেঙে যাওয়ায় কিছু স্থানে বাঁধা দিয়েছে গ্রামবাসী। মাটি বিক্রেতারা প্রশাসনের অনুমতি না নিয়েই মাটি বিক্রি করে যাচ্ছে। অবৈধ এসব মাটি কাঁটা ঠেকাতে মাঠে নেই উপজেলা প্রশাসন।
লক্ষীপুর ইউনিয়নের এক বাসিন্দা মোফাজ্জল হোসেন জানান, যেভাবে প্রতিটি জায়গায় মাটি কাঁটা হচ্ছে, দ্রুত সময়ে সড়ক ও জমি কমে যাবে। এই বিষয়ে কঠোর তদারকির দাবি জানান তিনি।
পৌর এলাকার বাসিন্দা মাহবুবুর রহমান জানান মাটির ট্রাক চলাচল করায় রাস্তাঘাট ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে, এতে বর্ষার সময়ে চলা দুষ্কর হয়ে উঠবে। তাই আমরা ঐক্যবদ্ধ হয়ে মাটি কাঁটার ট্রাক চলাচল প্রতিহত করেছি। বর্ষার সময়ে সড়কে হাঁটু পানি থাকে চলাচল করা কষ্টকর হয়ে যায়। তাই পুরো উপজেলা মাটি কাঁটা বন্ধ করতে উপজেলা প্রশাসনের কঠোর নজরদারি প্রয়োজন।
এই বিষয়ে বরুড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার আসাদুজ্জামান রনিকে একাধিকবার ফোন ও মুঠোফোনে ক্ষুদে বার্তা দিয়েও যোগাযোগ করা যায়নি।



