Logo
Logo
×

সারাদেশ

জামায়াত প্রার্থীর মনোনয়ন স্থগিত, কুড়িগ্রামে উত্তপ্ত পরিস্থিতি

Icon

কুড়িগ্রাম প্রতিবেদক

প্রকাশ: ০৪ জানুয়ারি ২০২৬, ০৪:৩৫ পিএম

জামায়াত প্রার্থীর মনোনয়ন স্থগিত, কুড়িগ্রামে উত্তপ্ত পরিস্থিতি

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুড়িগ্রাম-৩ আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মাহবুবুল আলম সালেহীর মনোনয়নপত্র চূড়ান্তভাবে স্থগিত ঘোষণাকে কেন্দ্র করে কুড়িগ্রাম জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে বিক্ষোভ ও উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে অতিরিক্ত পুলিশ ও গোয়েন্দা পুলিশ মোতায়েন করা হয়। রিটার্নিং কর্মকর্তা কার্যালয় প্রাঙ্গণে থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে।

রবিবার (৪ জানুয়ারি) দুপুরে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ও জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা অন্নপূর্ণা দেবনাথ জামায়াত নেতাকর্মীদের অসদাচরণের বিষয়টি স্বীকার করেন।

রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয়ের নিয়ন্ত্রণ কক্ষ সূত্র জানায়, জামায়াত প্রার্থী মাহবুব আলম সালেহীর দ্বৈত নাগরিকত্ব (যুক্তরাজ্য) থাকায় তার মনোনয়নপত্র আইন অনুযায়ী স্থগিত ঘোষণা করা হয়।

সূত্র আরও জানায়, গত শুক্রবার মনোনয়নপত্র বাছাইয়ের দ্বিতীয় কার্যদিবসে কুড়িগ্রাম-৩ আসনে দাখিল করা সাতজন প্রার্থীর মনোনয়ন যাচাই-বাছাই করা হয়। এ প্রক্রিয়ায় জামায়াত প্রার্থী মাহবুব আলম সালেহীর মনোনয়নপত্র স্থগিত এবং বিএনপির মনোনয়নবঞ্চিত ও স্বতন্ত্র প্রার্থী, রংপুর বিভাগীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মো. আব্দুল খালেকের মনোনয়ন বাতিল ঘোষণা করা হয়। অপরদিকে, কুড়িগ্রাম-৩ আসনের বাকি প্রার্থীদের মনোনয়ন বৈধ এবং কুড়িগ্রাম-৪ আসনে দাখিলকৃত সব প্রার্থীর মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে।

মনোনয়ন স্থগিতের বিষয়ে জামায়াত প্রার্থী মাহবুব আলম সালেহী বলেন, “আজ কাগজপত্র অধিকতর যাচাই-বাছাই করে সিদ্ধান্ত দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা পক্ষপাতদুষ্ট আচরণ করে ইচ্ছাকৃতভাবে ভুল সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এই ডিসির অধীনে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয়। আমি উচ্চ আদালতে আইনি লড়াইয়ের মাধ্যমে আমার মনোনয়ন বৈধ করবো-ইনশাল্লাহ।”

এ বিষয়ে কুড়িগ্রাম রিটার্নিং কার্যালয়ের কর্মকর্তা ও অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. আসাদুজ্জামান বলেন, “জামায়াত প্রার্থীর দ্বৈত নাগরিকত্ব থাকায় আইন অনুযায়ী তার প্রার্থীতা স্থগিত করা হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তিনি বৈধ কাগজপত্র উপস্থাপন করতে ব্যর্থ হওয়ায় বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।”

জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ও জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা অন্নপূর্ণা দেবনাথ বলেন, “নির্বাচন বিধিমালার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে প্রার্থীরা আগামী ৫ জানুয়ারি থেকে ১১ জানুয়ারি পর্যন্ত আপিল করার সুযোগ পাবেন। উচ্চ আদালতের মাধ্যমে কেউ বৈধতা ফিরে পেলে তার নির্বাচনী কার্যক্রমে বাধা দেওয়ার কোনো এখতিয়ার আমাদের নেই।”

Swapno

Abu Al Moursalin Babla

Editor & Publisher

Major(Rtd)Humayan Kabir Ripon

Managing Editor

Email: [email protected]

অনুসরণ করুন