বগুড়ার তিনটি আসনে ৭ প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল
বগুড়া প্রতিবেদক
প্রকাশ: ০২ জানুয়ারি ২০২৬, ০৯:৫৯ পিএম
বগুড়ার তিনটি সংসদীয় আসনে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে সাতজন প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল এবং ১২ জনের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে।
শুক্রবার জেলা প্রশাসক ও জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. তৌফিকুর রহমান মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে এসব সিদ্ধান্ত দেন।
বগুড়া-১ (সারিয়াকান্দি ও সোনাতলা) আসনে মোট সাতজন প্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিল করেন। যাচাই-বাছাই শেষে স্বতন্ত্র প্রার্থী শাহাজাদী আলম লিপির মনোনয়ন বাতিল করা হয়। তিনি এক শতাংশ ভোটারের সমর্থন তালিকা জমা দিলেও ভোটারদের স্বাক্ষর ও তথ্যের মধ্যে গড়মিল পাওয়া যায়। একই কারণে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের এবিএম মোস্তফা কামাল পাশার মনোনয়নও বাতিল করা হয়।
এই আসনে মনোনয়ন বৈধ পাওয়া পাঁচজন হলেন বিএনপির সাবেক সংসদ সদস্য কাজী রফিকুল ইসলাম, বিএনপির এ কে এম আহসানুল তৈয়ব জাকির, জামায়াতে ইসলামীর মো. শাহাবুদ্দিন, বাংলাদেশ কংগ্রেসের আসাদুল হক এবং গণফোরামের জুলফিকার আলী।
বগুড়া-২ (শিবগঞ্জ) আসনে চারজন প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে। তারা হলেন নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না, জাতীয় পার্টির সাবেক সংসদ সদস্য শরিফুল ইসলাম জিন্নাহ, স্বতন্ত্র প্রার্থী রেজাউল করিম তালু এবং গণঅধিকার পরিষদের সেলিম সরকার।
জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা জানান, শরিফুল ইসলাম জিন্নাহ সম্পদের বিবরণীর ফরম দাখিল না করা এবং ফেরারি আসামি হওয়ায় তাঁর মনোনয়ন বাতিল করা হয়। মাহমুদুর রহমান মান্নার হলফনামায় তথ্যের গড়মিল পাওয়া গেছে। এছাড়া মিথ্যা তথ্য ও মামলার তথ্য গোপনের অভিযোগে অপর দুই প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল করা হয়।
এই আসনে মনোনয়ন বৈধ পেয়েছেন বিএনপির মীর শাহে আলম, জামায়াতে ইসলামীর আবুল আজাদ মোহাম্মদ শাহাদুজ্জামান এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের জামাল উদ্দিন।
বগুড়া-৩ (দুপচাঁচিয়া ও আদমদীঘি) আসনে পাঁচজন প্রার্থীর মধ্যে একজনের মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে। মামলার তথ্য গোপন করায় ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের শাহজাহান আলী তালুকদারের মনোনয়ন বাতিল ঘোষণা করা হয়।
এই আসনে মনোনয়ন বৈধ হওয়া চারজন হলেন বিএনপির আব্দুল মহিত তালুকদার, জাতীয় পার্টির শাহিনুল ইসলাম, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের তৌহিদুল ইসলাম এবং জামায়াতে ইসলামীর নূর মোহাম্মদ।
মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইয়ের সময় জেলা পুলিশের সদস্যসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তর ও ব্যাংকের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।



