Logo
Logo
×

সারাদেশ

কুড়িগ্রামে ক্ষতি পুষিয়ে নিতে আগাম আলু চাষ

Icon

রাজু মোস্তাফিজ,কুড়িগ্রাম

প্রকাশ: ২১ অক্টোবর ২০২৫, ০৪:৩৮ পিএম

কুড়িগ্রামে ক্ষতি পুষিয়ে নিতে আগাম আলু চাষ

ছবি-যুগের চিন্তা

কুড়িগ্রাম ও তার আশে পাশের অঞ্চলে কার্তিক মাসে আর অভাব নেই। বদলেগেছে মানুষের জীবন চিত্র। সময়ের সাথে সাথে এ অঞ্চলের মানুষ নানাভাবে কৃষিতে ঝুকছে। জেলায় রয়েছে ১৬টি নদ-নদী। এর অববাহিকায় ৪০৫টি চর-দ্বীপচরে ধানসহ বিভিন্ন সবজির আবাদ হচ্ছে। চলে যাচ্ছে দেশের সর্বত্র। এসব চরের বিভিন্ন অঞ্চলে আগাম আলুর চাষ হচ্ছে। কে আগে আলু লাগতে ও বাজারে আনতে পারে তার জন্য রীতিমত প্রতিযোগীতা শুরু করেছে কৃষকরা।

কৃষি বিভাগ বলছে আগাম আলু রোপনের ৫৫ থেকে ৬০দিনের মধ্যে আলু উঠতে শুরু করে। গত বারে আলু চাষীরা প্রচুর লোকসান গুনেছে। লোকসান কাটানোর জন্য এবার ধার দেনা ও রিন নিয়ে আগাম আলু চাষে ঝুকে পড়েছে। তারপরও গত বারের চেয়ে আলু অনেক কম আবাদ হচ্ছে জেলায়।


কুড়িগ্রাম জেলার ৯টি উপজেলার চর-দ্বীপচর সহ প্রায় ১২ ইউনিয়নে আগাম আলুর চাষ করছে গৃহ্স্থ ও কৃষকরা। তবে গত বছরের চেয়ে পরিমাণে অনেক কম। গত বছরের আলু জেলার বিভিন্ন কোল্ড ষ্টোরে এখনও ৫০ হাজারের মে.ট. এর বেশী মজুদ আছে। যা বিক্রি শেষ হতে আর ৬ থেকে ৭ মাস লেগে যাবে। প্রতি কৃষক আর গৃহস্থ আলুতে লোকসান গুনছে। তবে কিছু কৃষক আর গৃহস্থ মানুষের কাছে ধারদেনা ও ব্যংকের লোন নিয়ে লোকসান কাটিয়ে উঠার জন্য আগাম আলু চাষ করছে। এমনিতেই বাজারে ইউরিয়া,পটাস ডি এ পি ও টি এসপি সারেরর দাম অনেক বেশী।

আলু চাষীরা চড়া দামে সার কিনে আগাম আলুর চাষ করছে। প্রকৃতির যদি কোন বিপর্যয় না হয় তাহলে এবারেও আগাম আলুর বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা রয়েছে। আগাম আলুর ভোক্তাদেরও চাহিদা থাকে অনেক বেশী। আগাম হবার কারণে এই আলুর দাম চড়া থাকে। কৃষকরা তাদের খরচ মিটিয়ে কিছুটা লাভবান হয় বলেই ঝুকি নিয়ে গৃহস্থকৃষকরা আগাম আলু চাষ করছে

মাষ্টারেরহাট গাছবাড়ি গ্রামের কৃষক আবু সাঈদ আর মন্ডলেরহাট গ্রামের কৃষক মুকুল মিয়া জানান আমরা গত বছর ১০ একর আগাম আলু আবাদ করেছিকিছুটা লাভবান হয়েছিপরে মৌসুমেও আরও ১০ একর আলু আবাদ করেছিএত মুলধন হারিয়ে গেছেগতবছরের আগাম আলুর আশায় এবারও আলু চাষ করেছিব্যাংক থেকে রিন নিয়ে রিন নিয়ে আলু আবাদ করছি

এবারে যদি দাম না পাই তাহলে আমরা মাঠে মারা যাব।একই এলাকার শ্রমিক বাদল,আরিফুলহাসান মিয়া জানান গত বছর যারা ২০ একর আলু আবাদ করেছিল এবারে সেই কৃষকএকর আগাম আলুর চাষ করছেকারণ জমি ভাড়া, লেবার খরচ, সারতেলের অভাবকৃষকরা আবাদ করতে পারছে না।আমরা যারা শ্রমিক আছি কম মূল্য পাওয়ার কারণে কাজ করতে পারছি না

কুড়িগ্রাম কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালকআবদুল্লা-আল-মামুন জানান কুড়িগ্রাম জেলায় আলু আবাদেও লক্ষমাত্রা ৭ হাজার ১শ হেক্টর। যা গত বছরের অর্জনের চেয়ে ৯শ হেক্টও কম। ইতিমধ্যে আমাদের কৃষকরা আগাম আলুর প্রস্তুতি গ্রহন করেছে। রাজারহাট ও সদরের বিভিন্ন এলাকায় আলু রোপন শুরু করেছে। এ বছর আলু আবাদের পরিমান অনেক কম। তারপরও লক্ষমত্রা অর্জিত হবে বলে আমরা আশা করছি।

Swapno

Abu Al Moursalin Babla

Editor & Publisher

Major(Rtd)Humayan Kabir Ripon

Managing Editor

Email: [email protected]

অনুসরণ করুন