নরসিংদীতে আড়াইশো কৃতি শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা
নরসিংদী প্রতিনিধি :
প্রকাশ: ১৬ অক্টোবর ২০২৫, ০৭:৫৬ পিএম
ছবি : সংগৃহীত
নরসিংদী সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মোশতাক আহমেদ ভূঁইয়া বলেন, এখানে চাঁদের হাট বসেছে, আজ ২৫০ জন কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা পেয়েছে। এই আয়োজন বিদায়ী শিক্ষার্থীদের নতুন পথচলায় সাহস যোগাবে। এছাড়া, নতুন যারা শিক্ষার্থী রয়েছে ক্যাম্পাসের তারা অনুপ্রাণিত হবে আজকের আয়োজন দেখে৷ তারাও ভালো করতে চেষ্টা করবে৷ এসব উদ্দেশ্যেই আজকের এই আয়োজন।
বৃহস্পতিবার (১৬ অক্টোবর) দুপুরে নরসিংদী সরকারি কলেজ মাঠে কলেজ কতৃক আয়োজিত আড়াইশো কৃতি শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা ২০২৫ বাস্তবায়ন কমিটির আহবায়ক প্রফেসর ড. ফখরুদ্দিন আহমাদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, কলেজটির অধ্যক্ষ প্রফেসর মোশতাক আহমেদ ভূইয়া।
এসময় অনুষ্ঠানে ২০২৪ সালে এইচএসসি পাস করে বিভিন্ন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়, মেডিকেল কলেজ ও প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে চান্সপ্রাপ্তদের হাতে সম্মাননা সনদ ও ক্রেস্ট তুলে দেন কলেজটির অধ্যক্ষ প্রফেসর মোশতাক আহমেদ ভূইয়া।
এছাড়াও অনুষ্ঠানে নরসিংদী চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি এর সাবেক প্রেসিডেন্ট আব্দুল্লাহ আল মামুন এবং জেলার শিক্ষানুরাগীরা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষার্থী, শিক্ষক এবং অভিবাবকগনও উপস্থিত ছিলেন।
সংবর্ধনা নিতে আসা শিক্ষার্থীরা বলেন, প্রাণের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে সংবর্ধিত হতে পেরে আমরা আনন্দিত। আসলে এই আনন্দ ও সাফল্যের যারা প্রকৃত ভাগিদার তারা হলেন আমাদের প্রাণের শিক্ষকগন। যাদের অনুপ্রেরণা ও সঠিক পথ দেখানোর মাধ্যমেই আমাদের এই অর্জন। সকলেই বলছেন, এরকম আয়োজন শিক্ষার্থীদের ভালো ফলাফল করতে উদ্যমী করে তুলবে।
জুনিয়রদের উদ্দেশ্যে তারা বলেন, যে সফলতার জন্য আজকে আমরা নিজ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সংবর্ধনা নিতে এসেছি, আমরা চাই আমাদের জুনিয়র ভাই-বোনেরও যেন এই সাফল্যের ধারাবাহিকতা অব্যাহত রাখে। পরবর্তীতে যেন আমরা এমনই আনন্দঘন সুন্দর পরিবেশে তাদেরকেও সংবর্ধনা দিতে পারি। নিজ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে সংবর্ধনা পাওয়ার যে আনন্দ তা থেকে যেন আমাদের জুনিয়র ভাই-বোনেরা বঞ্চিত না হয় সেই প্রত্যাশা করছি।
বিশেষ অতিথি, নরসিংদী চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি এর সাবেক প্রেসিডেন্ট আব্দুল্লাহ আল মামুন তার বক্তব্যে বলেন, আমাদের শিক্ষার্থীরা সব জায়গায় সুনামের সহিত কাজ করবে এমনটা প্রত্যাশা করছি। একজন শিক্ষার্থী যেই স্থানে, যেই অবস্থাতেই আছে, সেই অবস্থাতেই যদি সে পরিশ্রম করে, তবে সে ভালো করবেই। চাকুরির পাশাপাশি উদ্যোক্তা হলে কর্মসংস্থান বাড়ার পাশাপাশি অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি আসবে।



