ছবি : সংগৃহীত
কুড়িগ্রামে ২০২৫ সালের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় ৯ কলেজের কোনো শিক্ষার্থী পাস করতে পারেনি। এসব কলেজ থেকে ৭৬ জন শিক্ষার্থী ফরম ফিলাপ করলেও পরীক্ষায় অংশ নেয় ৫৪ জন, যাদের সবাই অকৃতকার্য হয়েছে।
কলেজগুলো হলো- নাগেশ্বরী উপজেলার কুটি পয়ড়াডাঙ্গা স্কুল অ্যান্ড কলেজ, সমাজ কল্যাণ মহিলা কলেজ, ছিলাখানা মডেল কলেজ, ফুলবাড়ি উপজেলার রাশেদ খান মেনন কলেজ, ভূরুঙ্গামারী উপজেলার ধলডাঙ্গা স্কুল ও কলেজ, রাজারহাট উপজেলার শিংগের ডাবড়ীহাট কলেজ, রৌমারী উপজেলার টাপুর চর স্কুল ও কলেজ, চর শৈলমারী আদর্শ মহিলা কলেজ ও উলিপুর উপজেলার বাগুয়া অনন্তপুর স্কুল ও কলেজ।
বৃহস্পতিবার (১৬ অক্টোবর) প্রকাশিত ফলাফল পর্যালোচনা করে এ তথ্য নিশ্চিত হওয়া যায়।
জানা যায়, নাগেশ্বরী পৌর এলাকায় ২০১৩ সালে স্থাপিত কুটি পয়ড়াডাঙ্গা স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে এবারই প্রথমবারের মতো তিনজন, ২০০৩ সালে স্থাপিত সমাজ কল্যাণ মহিলা কলেজ থেকে একজন ও ২০০০ সালে সন্তোষপুর ইউনিয়নের ধনী গাগলায় স্থাপিত ছিলাখানা মডেল কলেজ থেকে ছয়জন, ধলডাঙ্গা স্কুল ও কলেজ থেকে একজন, শিংগের ডাবড়ীহাট কলেজ থেকে ১০ জন, রাশেদ খান মেনন কলেজ থেকে ১২ জন, টাপুর চর স্কুল ও কলেজ থেকে চারজন, চর শৈলমারী আদর্শ মহিলা কলেজ থেকে ১৫ জন পরীক্ষায় অংশ নিয়ে অকৃতকার্য হয়েছে।
কুটি পয়রাডাঙ্গা স্কুল অ্যান্ড কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ শামসুল হক বলেন, ‘নতুন প্রতিষ্ঠান, তাই এমনটা হয়েছে। তাছাড়া এবারের রেজাল্টই খারাপ।’
ছিলাখানা মডেল কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হারুন অর রশিদ বলেন, ‘গত বছরেও এ প্রতিষ্ঠানের রেজাল্ট ভালো ছিল। ১৩ জন পরীক্ষা দেয়, যার মধ্যে ৭ জন পাস করে। এবার যে ৬ জন পরীক্ষায় অংশ নেয় তারা ফরম পূরণ করতেই চায়নি। বাড়ি থেকে ডেকে এনে তাদের ফরম ফিলাপ করানো হয়েছিল।’
সমাজ কল্যাণ মহিলা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আশরাফুল আলম বলেন, ‘দীর্ঘদিনেও প্রতিষ্ঠানটি এমপিওভুক্ত না হওয়ায় অনেক শিক্ষক প্রতিষ্ঠান ছেড়ে চলে গেছেন। তাই এমনটা হয়েছে।’
রাশেদ খান মেনন কলেজের অধ্যক্ষ ফখরুল ইসলাম বলেন, ‘আমাদের কলেজে মোটামুটি পাঠদান হয়, আসলে বুঝতে পারছি না সবাই ফেল করল। তবে পুনরায় খাতা মূল্যায়নের জন্য আবেদন জানানো হবে।’
মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা রংপুর অঞ্চলের পরিচালক প্রফেসর মো. আমীর আলী বলেন, ‘শতভাগ অকৃতকার্য হওয়া কলেজগুলোর বিষয়ে মন্ত্রণালয় যে ধরনের নির্দেশনা দেবে সেভাবেই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’



