Logo
Logo
×

সারাদেশ

খাগড়াছড়িতে নারী নির্যাতনের প্রতিবাদে দিনভর অবরোধ, সাজেকে দুই হাজার পর্যটক আটকা

Icon

খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি

প্রকাশ: ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১১:২২ এএম

খাগড়াছড়িতে নারী নির্যাতনের প্রতিবাদে দিনভর অবরোধ, সাজেকে দুই হাজার পর্যটক আটকা

খাগড়াছড়িতে এক নারীকে নির্যাতনের ঘটনায় ‘জুম্ম ছাত্র-জনতা’র ডাকে সকাল-সন্ধ্যা সড়ক অবরোধ চলছে। শনিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) সকাল থেকে শুরু হওয়া এ অবরোধে জেলার ভেতরে ও দূরপাল্লার সব ধরনের যান চলাচল বন্ধ রয়েছে। হঠাৎ অবরোধের ডাক দেওয়ায় ভোগান্তিতে পড়েছেন স্থানীয় বাসিন্দা ও পর্যটকরা।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, সাজেক ভ্যালিতে অন্তত দুই হাজার পর্যটক আটকা পড়েছেন। খাগড়াছড়ি শহরেও অনেকে যাতায়াত করতে না পেরে বিপাকে পড়েছেন।

খাগড়াছড়ি-সাজেক পরিবহন কাউন্টারের দায়িত্বপ্রাপ্ত মো. আরিফ জানান, শুক্রবার সাজেকে অন্তত ২০০টির বেশি গাড়ি প্রবেশ করেছে, যেখানে প্রায় দুই হাজার পর্যটক রয়েছেন। শনিবারও সাজেকগামী কয়েকটি গাড়ি প্রস্তুত থাকলেও প্রশাসনের অনুমতি ছাড়া ছেড়ে দেওয়া হচ্ছে না।

অবরোধকারীরা খাগড়াছড়ি-ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক ছাড়াও পানছড়ি, দীঘিনালা, মহালছড়িসহ বিভিন্ন সড়কে টায়ার জ্বালিয়ে ও গাছের গুড়ি ফেলে ব্যারিকেড তৈরি করেছে। কোথাও কোথাও সরাসরি গাছ কেটে সড়ক অবরোধ করা হয়েছে।

অবরোধের কারণে খাগড়াছড়ি শহরের বলপাইয়ে আদাম এলাকায় অন্তত ছয়-সাতটি গাড়ি আটকে রাখা হয়েছে। কাছাকাছি অবস্থানে থাকা যাত্রীরা হেঁটে শহরে প্রবেশ করছেন। এ ছাড়া দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে ছেড়ে আসা নৈশ কোচও জেলার বিভিন্ন স্থানে আটকে পড়েছে।

নোয়াখালী থেকে আসা পর্যটক মো. ফারুক বলেন, বন্ধুদের নিয়ে সাজেকে যাওয়ার জন্য খাগড়াছড়ি এসেছি। এখানে এসে অবরোধের খবর পাই। এখন আমরা আটকে আছি, যেতে পারবো কি না জানি না।

গাজীপুর থেকে পরিবার নিয়ে আসা পর্যটক মো. সোলাইমান বলেন, ছোট ছেলে-মেয়ে নিয়ে পথে আছি। সাজেকের গাড়ি না ছাড়লে হোটেলে উঠব কি না, তা নিয়েই চিন্তায় আছি।

তবে এখন পর্যন্ত শহরে বা আশপাশে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি। খাগড়াছড়ি পুলিশ সুপার আরেফিন জুয়েল জানান, গুরুত্বপূর্ণ স্থানে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে এবং নিরাপত্তা জোরদার রাখা হয়েছে। পুলিশ ব্যারিকেড সরিয়ে যান চলাচল স্বাভাবিক রাখার চেষ্টা করছে।

উল্লেখ্য, গত ২৩ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় খাগড়াছড়ি সদর এলাকায় বাসায় ফেরার পথে এক কিশোরী সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হন বলে অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর বাবা অজ্ঞাত তিনজনকে আসামি করে মামলা করেন। সেনাবাহিনীর সহায়তায় সন্দেহভাজন শয়ন শীলকে আটক করে রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে।

Swapno

Abu Al Moursalin Babla

Editor & Publisher

Major(Rtd)Humayan Kabir Ripon

Managing Editor

Email: [email protected]

অনুসরণ করুন