Logo
Logo
×

সারাদেশ

মামার কাছে ২০ লাখ চাঁদা দাবী! ভাগ্নের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা

Icon

কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি :

প্রকাশ: ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ০৫:৩৬ পিএম

মামার কাছে ২০ লাখ চাঁদা দাবী! ভাগ্নের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা

কিশোরগঞ্জে মামাকে বাসা থেকে বের করে দিয়ে ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগ উঠেছে ভাগ্নের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় আদালতে মামলা দায়ের করেছেন ভুক্তভোগী মামা হাজী আবুল হাসান হাশিম। গত ২ সেপ্টেম্বর কিশোরগঞ্জ জজ কোর্টের আমল গ্রহণকারী আদালত নং-১ এ মামলাটি দায়ের করা হয়।

বুধবার (২৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে কিশোরগঞ্জ জেলা শহরের রথখলা এলাকায় এক সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী হাজী আবুল হাসান হাশিম এসব অভিযোগ তুলে ধরেন।

অভিযুক্তরা হলেন, কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার গাইটাল ব্যাংক কলোনী রোডের মৃত আব্দুর রশিদের দুই ছেলে জহিরুল ইসলাম (৪৫), মকবুল হোসেন (৫০) ও মকবুল হোসেনের ছেলে মনির হোসেন (২২)। তাদের সহযোগী হিসেবে অভিযুক্ত হয়েছেন সদর সাবরেজিস্ট্রি অফিসের অফিস সহায়ক হারুয়া এলাকার মৃত মিন্টু মিয়ার ছেলে এনামুল (২৭), মহিনন্দ ইউনিয়নের মুস্তাক (৫০) এবং পাকুন্দিয়া উপজেলার ছোট আজলদী গ্রামের নইমুল্লার ছেলে আব্দুল মালেক (৪০)।

ভুক্তভোগী আবুল হাসান হাশিম জানান, ২০০৬ সালের ১০ অক্টোবর ও ২০০৮ সালের ১৭ নভেম্বর ভাগ্নে জহিরুল ইসলাম ও মকবুল হোসেনের কাছ থেকে সোয়া চার শতাংশ জমি ক্রয় করেন তিনি। এরপর মাটি ভরাট করে সেখানে আধাপাকা ভবন নির্মাণ করে বসবাস ও ভাড়া দিয়ে আসছিলেন। জমি কেনার সময় ভাগ্নেদের বিশ্বাস করে দলিল রেজিস্ট্রির দায়িত্ব তাদের উপর ছেড়ে দেন। তবে সকল কাগজপত্র, গ্যাস, পানি ও বিদ্যুৎ সংযোগ তার নামেই ছিল।

প্রায় দুই বছর আগে অভিযুক্তরা দাবি করে জমির দাগ নম্বর ভুল আছে এবং আদালতের মাধ্যমে সংশোধন করতে হবে। তাদের কথায় আবুল হাসান মামলা দায়ের করলে ওই সুযোগে ভাড়াটিয়াদের বের করে দিয়ে বাসা দখল করে নেন ভাগ্নেরা। পরে বিষয়টি পারিবারিকভাবে সমাধানের চেষ্টা করলেও ব্যর্থ হন তিনি। এরপর গত ১৫ জুলাইসহ বিভিন্ন সময়ে অভিযুক্তরা তার কাছে ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। শুধু তাই নয়, এনামুল, মুস্তাক ও আব্দুল মালেক তার গ্রামের বাড়িতেও গিয়ে চাঁদার টাকা দিয়ে সমস্যা মীমাংসার জন্য চাপ দেন এবং বাসায় গেলে খুনের হুমকিও দেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত জহিরুল ইসলামের সঙ্গে ফোনে কথা হলে তিনি বলেন, ‘আদালতে মামলা রয়েছে, বিষয়টি আদালতই দেখবে।’

বিষয়ে সাবরেজিস্ট্রি অফিসের অফিস সহায়ক এনামুল হক তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ অস্বীকার করে জানান, ‘অভিযোগ মিথ্যানিউজ করলে সমস্যা নাই, তবে দয়া করে আমার স্যারের কাছে বলবেন না, বললে চাকরি থাকবে না।’

অভিযুক্ত এনামুলের বিষয়ে জানতে চাইলে কিশোরগঞ্জ জেলা রেজিস্ট্রার আব্দুল খালেক বলেন, ‘ভুক্তভোগী লিখিত অভিযোগ দিলে এনামুলের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

সংবাদ সম্মেলনে হাজী আবুল হাসান হাশিমের স্ত্রী শুভা হাসান, শ্বশুর ফরিদ মিয়া, বড় ভাই মোহাম্মদ আলী ও ভাই আসাদুজ্জামান উপস্থিত ছিলেন।

Swapno

Abu Al Moursalin Babla

Editor & Publisher

Major(Rtd)Humayan Kabir Ripon

Managing Editor

Email: [email protected]

অনুসরণ করুন